সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে মধ্যরাতে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অন্তত ২০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জোতপাড়া এলাকায় ভাঙন শুরু হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে ভাঙন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভয়াবহ এ ভাঙনে কে কে পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পূর্ণ এবং জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের আংশিক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া অন্তত ১০টি বসতভিটা নদীতে হারিয়ে গেছে। ভাঙনের কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন অব্যাহত থাকায় ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘরবাড়ির মালামাল, গবাদিপশু ও অন্যান্য সহায়-সম্বল দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অনেকে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে এলাকটিতে নদী ভাঙন শুরু হয়। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ার করণে পানিবৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙন আরও তীব্র হয়ে ভয়াবহ অকার ধারণ করে বলে অভিযোগ ভাঙনকবলিতদের।
উল্লেখ্য, উপজেলার বাঘুটিয়া ও খাসপুখুরিয়া ইউনিয়ের বিস্তির্ন এলাকাজুড়ে মাসব্যপি ভাঙন অব্যহত রয়েছে।
সিরাজগঞ্জ টাইমস/আইএইচএ/সিই