শারদীয় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে রঙ তুলির শেষ আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শাহজাদপুরের প্রতিমা শিল্পীরা। মন্দিরগুলোতে এখন চলছে সাজসজ্জার ধুম।
দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। মন্দিরে মন্দিরে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক ও স্বরস্বতীসহ পৌরাণিক দৃশ্যপট রঙ তুলিতে ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
প্রতিমা শিল্পীরা জানান, নাওয়া-খাওয়া ভুলে প্রত্যেকে ৪ থেকে ৬টি করে প্রতিমা তৈরি করেছেন তারা। তবে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে মজুরি থেকে আয়ের সাথে খরচ মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রতিমা তৈরির জন্য তারা মজুরি নিচ্ছেন ৩০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শাহজাদপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব দত্ত বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবহে এবছরও অনাড়ম্বরভাবে উদযাপিত হবে দুর্গোৎসব। স্থানীয় প্রশাসন ও সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে পূজার আয়োজন করা হবে।
এ বছর শাহজাদপুরের মোট ৯৩টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রস্তুতির ব্যস্ততা। মন্দিরে মন্দিরে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক ও স্বরস্বতীসহ পৌরাণিক দৃশ্যপট রঙ তুলিতে ফুটিয়ে তুলছেন শিল্পীরা।
প্রতিমা শিল্পীরা জানান, নাওয়া-খাওয়া ভুলে প্রত্যেকে ৪ থেকে ৬টি করে প্রতিমা তৈরি করেছেন তারা। তবে উচ্চ দ্রব্যমূল্যের বাজারে মজুরি থেকে আয়ের সাথে খরচ মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রতিমা তৈরির জন্য তারা মজুরি নিচ্ছেন ৩০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ শাহজাদপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব দত্ত বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবহে এবছরও অনাড়ম্বরভাবে উদযাপিত হবে দুর্গোৎসব। স্থানীয় প্রশাসন ও সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে পূজার আয়োজন করা হবে।
এ বছর শাহজাদপুরের মোট ৯৩টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
সিরাজগঞ্জ টাইমস/এনকেআর/সিই











