মঙ্গলবার জামিনে মুক্তির পরেই জেলগেটে ছাত্র-জনতার হাতে মারধরের শিকার হন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঢাকা শিশু হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ। এরপর তাকে বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় পুনরায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও তাড়াশ আমলি আদালতে তাকে হাজির করা হলে বিচারক ওমর ফারুক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান জানান, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তাড়াশ থানায় দায়ের হওয়া বিস্ফোরক মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে ডা. আব্দুল আজিজকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
এর আগে মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) রাতে হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় জামিনে মুক্ত হন তিনি। রাত ৮টার দিকে সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পরপরই কারাগারের মূল ফটকের সামনে অপেক্ষারত ছাত্র-জনতা তাকে মারধর করে। পরে রাতেই সেনাবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর কলাবাগান এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে র্যাব-২ এর সদস্যরা অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজকে গ্রেপ্তার করে। এরপর ৪ ফেব্রুয়ারি তাড়াশ থানায় দায়ের হওয়া হত্যা চেষ্টা ও বিস্ফোরক মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। তিন মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেও ১৬ ঘণ্টার মাথায় আবারও তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হলো।











